খেজুর গুড় ১ কেজি

৳800

গনি ফুড নিয়ে এসেছে ঐতিহ্যবাহী খেজুর গুড়, যা রাজশাহীর প্রত্যন্ত অঞ্চলের ৮৫৫+ খেজুর গাছের বিশুদ্ধ রস থেকে সরাসরি কৃষক থেকে সংগ্রহ করে থাকি। যেকোনো রাসায়নিক ও কেমিক্যালমুক্ত এই গুড় আপনার স্বাস্থ্য ও স্বাদের নিশ্চয়তা দেয়। শীতকালীন পিঠাপুলি, মিষ্টি অথবা দৈনন্দিন খাবারের জন্য এটি এক আদর্শ উপাদান।

- +
Category: খেজুর গুড়

Product Code : IE0001

Brand: Goni Food

উৎপাদন প্রক্রিয়া: সরাসরি কৃষক থেকে খেজুরের রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরী করে নিয়ে থাকি।

বিশুদ্ধতা: সম্পূর্ণ রাসায়নিক ও কেমিক্যাল মুক্ত।

উৎস: রাজশাহী বিভাগরে নাটোর জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ৮৫৫+ খেজুর গাছের রস।

রস সংগ্রহ: ২-৫ দিন অন্তর প্রতিটি গাছ থেকে রস সংগ্রহ, যা সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করে।

প্রকারভেদ: পাটালি গুড়, দানাদার ঝোলাগুড় এবং ঝোলাগুড়।

প্যাকেজিং: ১ কেজি এবং ২ কেজির নিরাপদ প্যাকেজিংয়ে উপলব্ধ।

উপকারিতা: ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়ামের উৎস; রক্তস্বল্পতা দূর করে, হজমে সহায়ক, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীর গরম রাখে।

সংরক্ষণ: শীতল ও শুকনো স্থানে মাটির পাত্র বা কাঁচের বোতলে সংরক্ষণ করা যায়।

বৈশিষ্ট্য:

গনি ফুডের খেজুর গুড় সরাসরি কৃষক থেকে স্পেশালভাবে অর্ডার করে খেজুরের রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরি করা হয়, যা এর বিশুদ্ধতা ও মান নিশ্চিত করে। এটি যেকোনো ধরনের রাসায়নিক ও কেমিক্যাল মুক্ত, তাই স্বাস্থ্য সচেতন ভোক্তাদের জন্য এটি একটি নিরাপদ পছন্দ। রাজশাহী বিভাগরে নাটোর জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ৮৫৫+ খেজুর গাছের রস থেকে এই গুড় প্রস্তুত করা হয়। প্রতিটি গাছ থেকে ২-৫ দিন অন্তর অন্তর রস সংগ্রহ করা হয়, যার ফলে রস এবং গুড়ের মান সর্বোৎকৃষ্ট হয়। গনি ফুড পাটালি গুড়, দানাদার ঝোলাগুড় এবং ঝোলাগুড় – এই তিন ধরনের গুড় বাজারে সরবরাহ করছে। সকল প্রকার গুড় ১ কেজি এবং ২ কেজির নিরাপদ প্যাকেজিংয়ে পাওয়া যাচ্ছে।

খেজুর গুড় তৈরির প্রক্রিয়া:
নভেম্বর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত, গাছে কলসি বাঁধার মাধ্যমে খেজুর গুড় তৈরির হাতেখড়ি শুরু হয়। গাছের ছাল ছিলে তাতে মাটির ছোটো হাড়ি বা কলস বাঁধা হয়। পাখির বা কীটপতঙ্গের প্রবেশ ঠেকাতে হাড়ির উপরে সাদা পরিষ্কার কাপড় জড়ানো হয়। এরপর খেজুর গাছ থেকে রস নামিয়ে পরিশোধন-এর জন্য পরিষ্কার একটা পাত্রে ঢালা হয়। নিজস্ব তত্ত্বাবধায়নে তৈরি হয় এই খেজুর গুড়। গাছ থেকে রস সংগ্রহের পর সেটিকে বড় পাত্রে স্থানান্তর করা হয় এবং দ্রুত গুড় তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়, কারণ পুরোনো রস থেকে ভালো গুড় হয় না। রস বড় পাত্রে করে মাটির চুলায় ঢালা হয় এবং মাঝারি আঁচে ধীরে ধীরে ঘন করা হয়। রস গরম করার সময় এর উপরে যে ফেনা দেখা দেয়, তা তুলে ফেলা হয়, যা রসকে পরিষ্কার রাখে এবং গুড়ের গুণগত মান বাড়ায়।

উপকারিতা:
খেজুর গুড় প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়ামের ভাণ্ডার। যারা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন, তাদের জন্য খেজুরের গুড় অত্যন্ত সহায়ক। এটি ওজন কমাতে এবং হজমের সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে। খেজুর গুড় কোল্ড অ্যালার্জি কমাতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর। শীতে শরীর গরম রাখতে অথবা সর্দি-কাশি ও জ্বরের মতো রোগ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে খেজুরের গুড় একটি প্রাকৃতিক ঔষধের মতো কাজ করে। তবে, ডায়াবেটিস রোগীদের এটি এড়িয়ে চলাই উত্তম।

ব্যবহার:
গনি ফুডের খেজুর গুড় বাংলাদেশের বিভিন্ন পিঠা-পায়েশ তৈরিতে অপরিহার্য উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে শীতকালে পিঠাপুলির স্বাদ বাড়াতে এর জুড়ি নেই। এটি নারিকেলের গুড় মিষ্টি, গুড় সন্দেশসহ নানা ধরনের মিষ্টি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। দৈনন্দিন খাবারে চা, পায়েশ, বা সাদা ভাতের সঙ্গে এটি চিনি বা মধুর স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।

সংরক্ষণ:
গুড় সংরক্ষণের জন্য সাধারণত মাটির পাত্র বা কাঁচের বোতল ব্যবহার করা হয়। মাটির পাত্রে গুড় বেশি দিন ভালো থাকে, কারণ এটি প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা রাখে। গুড়কে শীতল ও শুকনো স্থানে সংরক্ষণ করতে হয়, এবং আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখলে এটি দীর্ঘদিন ভালো থাকে। গুড় সংরক্ষণের আগে পুরোপুরি ঠান্ডা করে নেওয়া জরুরি, কারণ আর্দ্রতা এর গুণগত মান নষ্ট করতে পারে।

Questions (0)

Have question about this product? Get specific details about this product from expert.

This product has no question yet. Be the first one to write a question.

Reviews (0)

Get specific details about this product from customers who own it.

This product has no reviews yet. Be the first one to write a review.